Home ক্যাটাগরি বিহীন রোযার আগে আবারও বাড়বে মুরগির দাম

রোযার আগে আবারও বাড়বে মুরগির দাম

ভোগ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় বাজার, ভোগান্তি জনগণের

বাজারে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা চলছে। একের একের পর এক ভোগ্য পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। ভোজ্য তেলের দাম, গরুর মাংসের দাম, মুরগির দাম বাড়ছে। তাও আবার কিছুদিন পর দেখা যাচ্ছে একই পণ্যের দাম বাড়ছে আবার পরবর্তি ধাপে। এ জন্য দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। কারণ হিসেবে এ পর্যন্ত যে তথ্য উঠে এসেছে তা হলো করোনার কারণে বিশ্বের সকল দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানির দামের প্রভাব। নিত্য পণ্যদ্রব্যের দামের সাথে সাধারণ মানুষের আয়ের একটা বিশাল সম্পর্ক রয়েছে। যে হারে বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বাড়ছে সে হারে আয় রোজগার যদি না বাড়ে তবে তা মানুষের জীবনযাত্রার মানের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। বাজারে দেখা যাচ্ছে মিনিকেট চালের দাম ৬৪ টাকার উপরে। আবার মোটা চালের দামও কম নয় যা ৫০ টাকার উপরে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে শবে বরাতের আগেই মুরগির দাম আবারও বাড়বে। আবার রোযায় ও বাড়বে মুরগির দাম।

বিপণন সংস্থা থেকে বলা হচ্ছে পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা কেজি হারে সরবরাহ হচ্ছে তবে খুচরা বাজারে দেখা মিলছে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ।
ওদিকে সবজির দামও বাড়তি দেখা যাচ্ছে। কিছু কিছু সবজিতে কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা হারে বৃদ্ধি হচ্ছে। করলা, বরবটি, টমেটো, চিচিঙ্গা, বাঁধাকপি, বেগুন, শিম, আলু ইত্যাদি সবজির দাম বাড়তি আগে থেকে।

এ ছাড়া কাঁচা মরিচ পেঁপে ৩০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, খিরাই ৪০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, মটরশুঁটি ৫০ টাকা আর লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। বরবটি ৭০ টাকা হয়েছে, টমেটো কেজি ২৫ টাকা, করলা প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকা হয়েছে। লতি ৭০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, আলু ২০ টাকা কেজি।বেগুন ৪০ টাকা প্রতি কেজি, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকা, আর কাঁচকলার হালি ৩০ টাকা। এভাবে নিত্য পণ্যের দাম যদি সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে তবে তা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে জীবযাত্রার মানের ওপর।

দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। গত সপ্তাহে দুই দফা দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় হয়েছে তবে কিছুটা আবার মাঝে কমতেও দেখা গেছে।

গরু ও খাসির মাংসের দামও চড়া। বাজারে গরুর মাংস ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, এদিকে কয়েক সপ্তাহ ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মুরগি। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা এবং লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। সোনালি বা কক মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
প্রশাসন রোযা আসার পূর্বেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলে আশা করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

২৫শে এপ্রিল থেকে সীমিত আকারে খুলবে শপিংমল ও দোকানপাট।

আজ ২৩শে এপ্রিল শ্রক্রবার প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে, ২৫শে এপ্রিল থেকে খুলে দেওয়া হবে শপিং মল…